President of Governing Body Speech

গারো পাহাড়ের পাদদেশে সবুজ শ্যামলিমায় পরিপূর্ণ শেরপুর জেলা্র প্রথম বেসরকারি কলেজ ডাঃ সেকান্দর আলী কলেজে ওয়েবসাইট চালু হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।আমরা সবাই অবগত আছি যে,‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বর্তমান সময়ে রাজনীতিতে একটি উচ্চকিত শ্লোগান। বর্তমান বিশ্বকে এখন আমরা বলি ‘গ্লোবাল ভিলেজ’। হাতের মুঠোয় বিশ্ব দেখানোর লক্ষ্য নিয়েই ২০০৮ সালে সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ-এর নির্বাচনী ইশতেহারে একটি গুরুত্বপুর্ণ দিক ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার। ২০২১ সালে পালিত হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী।তাই এ সময়ের মধ্যে দেশের যাবতীয় কার্যাবলি যেমন সরকার ব্যবস্থা , শাসন ব্যবস্থা ,ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ,কৃষি , প্রভৃতি কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হবে । এ স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে প্রথমেই e-readiness প্লান তৈরি করে তথ্য প্রযুক্তিতে পারদর্শী মানব সম্পদ তৈরি করতে হবে। বিশ্বায়নের এ যুগে বিশ্বব্যাপি তথ্য প্রযুক্তি দ্রুত প্রসারের ফলে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বহির্বিশ্বে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থার প্রচলন করতে হবে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ওয়েবসাইট চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে যেন প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী খুব সহজেই পরিবর্তনশীল এই পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে এবং নিজেদের মেধা বিকাশের মাধ্যমে যোগ্য মানুষ হয়ে উঠতে পারে। আমি আশা করি এই কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষক সবাই এর দ্বারা উপকৃত হবেন এবং ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে বাংলাদেশকে সন্ত্রাসমুক্ত, জঙ্গিবাদমুক্ত আধুনিক মানসিকতা সম্পন্ন সোনার বাংলা গড়ে তুলবেন।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
(মোঃ আতিউর রহমান আতিক)
মাননীয় সংসদ সদস্য ও হুইপ

সভাপতি, গভর্নিং বডি
ডাঃ সেকান্দর আলী কলেজ

Donor's Speech

সবুজ শ্যামলিমায় পরিপূর্ণ গারো পাহাড়ের কোল ঘেষে গড়ে ওঠা ছোট্র শহর শেরপুর।যা একসময় কামরূপ রাজ্যের অর্ন্তভূক্ত ছিল। মোঘল সম্রাট আকবরের সময় এই এলাকা ‘দশকাহনিয়া বাজু’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে শেরআলী গাজীর নামানুসারে রাখা হয় ‘শেরপুর’।নানা ইতিহাস ও ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ থাকার পরও এই শেরপুরের শিক্ষার হার ছিল নগণ্য। শহরে দু’টি কলেজ থাকার পরও বিশাল এই জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষার সুযোগ প্রসারে যা ছিল অপ্রতুল। এই কারণে ১৯৮৬ সালে শেরপুরের বিশিষ্টজনদের নিয়ে আমারই দান করা জমিতে স্থাপন করা হয় “ডা: সেকান্দর আলী কলেজ”। যে কলেজটি শেরপুর জেলা সদরে প্রথম বেসরকারি কলেজ। হাটি হাটি পা পা করে যার সুফল আজ পৌছে গেছে সবার ঘরে ঘরে। বর্তমান সরকার শিক্ষার ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী মনোভাব নিয়ে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ শিরোনামে নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার আত্মপ্রত্যয়ে বলীয়ান হয়ে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী নিজেকে গড়ে তুলবে বিশ্বমানের আদর্শ মানুষ হিসেবে। তাই বর্তমান সরকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়েবসাইট চালু করার মধ্য দিয়ে সেই শিক্ষাকে করেছে আরও বেশি সহজলভ্য ও গতিশীল। আমি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি আশা করি কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকবৃন্দ আমার এ স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করবে। ডা: মো: সেকান্দর আলী দাতা সদস্য ডা: সেকান্দর আলী কলেজ খরমপুর, শেরপুর শহর শেরপুর।

Principal's Speech

স্বাধীনতাত্তোর শিক্ষা ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনগ্রসর শেরপুরের শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান শেরপুরে একটি বেসরকারী কলেজ প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা করেন। তাঁর পরিকল্পনায় ও সাবেক এমপি মরহুম আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন আহাম্মদসহ শেরপুরের বিশিষ্টজনদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পৃষ্টপোষকতায় অস্থায়ীভাবে জি. কে. উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৮৬ সালে শেরপুর জেলা কলেজ নামে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সরকারী এতিম খানায় জেলা কলেজটি স্থানান্তরিত হয়। এ পর্যায়ে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ডাঃ সেকান্দর আলী বর্তমান জায়গাটি কলেজকে দান করলে জেলা কলেজের সাংগঠনিক কমিটি কলেজটির নাম পরিবর্তন করে ডাঃ সেকান্দর আলী কলেজ নামকরন করেন। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তখনকার সময়ের চাহিদা মিটালেও বিভিন্ন প্রতিকুলিতার কারণে কলেজটি প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের সংগঠকদের যে অঙ্গীকার ছিল তার অধিকাংশই পূরণে সমর্থ হয়নি। এ দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষায় অগ্রগতির সাথে সাথে শেরপুরও সমতালে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে শেরপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে কলেজসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা চাহিদার তুলনায় সংখ্যাগত দিকে অপ্রতুল নয়। বিশ্ব বিবর্তণের চাহিদাকে সামনে রেখে মানণীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় কাজ করে যাচ্ছেন। আর আমাদের কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মাননীয় হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আতিউর রহমান আতিক এমপি আধুনিক শেরপুরের পরিকল্পনার রূপরেখা নিয়ে শেরপুরের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। ডাঃ সেকান্দর আলী কলেজ তাঁদের পরিকল্পনায় সহযোগিতা করে সামিল হওয়ার লক্ষ্যে “আক্ষরিক শিক্ষা নয়, গুণগত শিক্ষা” স্লোগান নিয়ে নতুন উদ্যোমে কাজ করে যাচ্ছে। আমার প্রত্যাশা কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মাননীয় হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আতিউর রহমান আতিক এমপি মহোদয়ের দিকনির্দশনা ও পৃষ্টপোষকতায় সর্বস্তরের শেরপুর বাসীর সহযোগিতায় ডাঃ সেকান্দর আলী কলেজ শুধু শেরপুর নয় বাংলাদেশে একটি আদর্শ কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। এখান থেকেই বের হবে বিশ্বমানের নাগরিক যারা বিনির্মাণ করবে আধুনিক শেরপুর তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ।