অধ্যক্ষের বানী

সবুজ শ্যামলিমায় পরিপূর্ণ গারো পাহাড়ের কোল ঘেষে গড়ে ওঠা ছোট্র শহর শেরপুর।যা একসময় কামরূপ রাজ্যের অর্ন্তভূক্ত ছিল। মোঘল সম্রাট আকবরের সময় এই এলাকা ‘দশকাহনিয়া বাজু’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে শেরআলী গাজীর নামানুসারে রাখা হয় ‘শেরপুর’।নানা ইতিহাস ও ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ থাকার পরও এই শেরপুরের শিক্ষার হার ছিল নগণ্য। শহরে দু’টি কলেজ থাকার পরও বিশাল এই জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষার সুযোগ প্রসারে যা ছিল অপ্রতুল। এই কারণে ১৯৮৬ সালে শেরপুরের বিশিষ্টজনদের নিয়ে আমারই দান করা জমিতে স্থাপন করা হয় “ডাঃ সেকান্দর আলী কলেজ”। যে কলেজটি শেরপুর জেলা সদরে প্রথম বেসরকারি কলেজ। হাটি হাটি পা পা করে যার সুফল আজ পৌছে গেছে সবার ঘরে ঘরে। বর্তমান সরকার শিক্ষার ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী মনোভাব নিয়ে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ শিরোনামে নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার আত্মপ্রত্যয়ে বলীয়ান হয়ে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী নিজেকে গড়ে তুলবে বিশ্বমানের আদর্শ মানুষ হিসেবে। তাই বর্তমান সরকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়েবসাইট চালু করার মধ্য দিয়ে সেই শিক্ষাকে করেছে আরও বেশি সহজলভ্য ও গতিশীল। আমি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি আশা করি কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকবৃন্দ আমার এ স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করবে।

ডাঃ মোঃ সেকান্দর আলী

দাতা সদস্য

ডাঃ সেকান্দর আলী কলেজ খরমপুর, শেরপুর শহর শেরপুর।